বাসায় হরেক রকমের খেলনা থাকার পরও ৬ বছরের ছোট্ট শিশু ইহামের মনযোগের কেন্দ্র বিন্দুতে শুধুই বাবার ল্যাপটপে। খুব কাছে থেকে একমনে ল্যাপটপে স্ক্রিনে থাকা চরিত্রগুলোর মাঝে হারিয়ে যায় ইহাম। ভার্চুয়াল জগতের প্রতি এই নির্ভরশীলতা কিভাবে শুরু হয় সেই উত্তর দেন শিশুটির মা।

করোনার কারণে ঘরে থেকেই অফিস করতে হচ্ছে অনেকেই। তাদেরই একজন মিরপুর ১১র বাসিন্দা উপমা। একটানা কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানান, বেসরকারি এই চাকুরীজীবী।

লকডাউনে গৃহস্থালি কাজের জন্য একটু অবসর খোঁজার চেষ্টায় কেউ আবার স্মার্টফোন দিয়ে ব্যস্ত রাখছেন তাদের ছোট্ট শিশুদের।

নবম শ্রেনীর ইফতি আর ৫ম শ্রেণীর ফাহিম। দুই শিশুর দূরন্ত কৌশর আজ করোনার কারণে গৃহবন্দী। ক্লাস ও বন্ধুদের সঙ্গে গেইমিং দুটোই চলে অনলাইনে। এতকিছুর মাঝে চোখের কি অবস্থা?

এ বিষয়ে জানতে যাওয়া হয় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে দেখা যায় এধরনের রোগীদের বেশীর ভাগই শিশু।

বাংলাদেশ আই হাসপাতালের এই সহযোগী অধ্যাপক জানান, গভীর মনযোগের কারণে আমরা চোখের পাতা কম ফেলি, তাই তৈরী হচ্ছে ড্রাই আইস সিন্ড্রম।

চোখের সুস্থতায় আমাদের করণীয় নিয়েও কথা বলেন তারা।পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকদের দেয়া পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয় শিশুরাও।